মিশরীয় পিরামিড : পাঠক যদি আমরা আপনাকে বর্তমান সময়ে এই questions করি যে আপনার কাছে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর জায়গায় কোনটি তাহলে আপনি অনেকটি জায়গার নাম বলবেন কিন্তুু এই questions যদি আপনাকে করা হয় যে আপনার কাছে পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে রহস্যময় জায়গায় কোনটি? তাহলে আপনি অবশ্যই একটু চিন্তায় পড়ে যাবেন। আসলে এই questions-এর উত্তর হচ্ছে Egypt. তাই আজ আমরা এই প্রতিবেদনের মধ্যেমে এই রহস্যময় Egypt এর মূল রহস্যের বিস্তারিত তত্ত্ব ব্যাখা করবো।
মিশরীয় পিরামিডের অলৌকিক রহস্য ও সমাধান
4-হাজার বছর আগের ইতিহাস। আজ থেকে 4-হাজার বছর আগে মিশরের জনগন গোটা বিশ্বের জন্য মিশরের বুকে তৈরী করেছিল বিভিন্ন কারুকার্য যার মধ্যে সবচেয়ে রহস্যময় কারুকার্য হচ্ছে মিশরের পিরামিড যা গোটা মানবজাতির জন্য এক অভাবনীয় কারুকার্য। এই পিরামিডের মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক অভাবনীয় রহস্য যা বর্তমান সময়ের অতি উন্নত বৈজ্ঞানিক গবেষণার দ্বারাও এর সটিক সমাধান দেওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। মিশরের জনগন পিরামিড তৈরির জন্য এতো বড় বড় ব্লক গুলি কিভাবে এক যায়গা থেকে অন্য যায়গায় নিয়ে ছিল ? বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি ছাড়া। কিভাবে তারা এই পিরামিডের আকৃতি এতো নিখুঁত ভাবে তৈরি করে ছিল ? এই সকল বিষয়ের মধ্যে লুকিয়ে আছে অনেক রহস্য। Calculation এর মধ্যেমে দেখা যায় যে প্রতিটি পিরামিড তৈরি করতে 23 লক্ষ ব্লক ব্যবহৃত হয়েছে। এই এতো বিশাল আকৃতির ব্লক গুলি কিভাবে তারা এতো perfect ভাবে position করে ছিলো। এগুলোই হলো Egypt pyramid Mystery. পিরামিডে ব্যবহৃত প্রতিটি ব্লকের ওজন 2700-70000 k.g যা এক জায়গায় থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যেতে বর্তমান যুগের Building Construction's কাজে ব্যবহৃত মেশেনের পক্ষে অসম্ভব। তাহলে 4 হাজার বছর আগে কিভাবে এটি সম্ভব হয়েছে। এই সকল বিষয় খতিয়ে অনেক গবেষক বলেন যে পিরামিড তৈরি করতে না কি এলিয়েন সাহায্য করেছে। পিরামিড কে নিয়ে বিভিন্ন Theory রয়েছে যা নিম্নরূপ -
★ ORION CORRELATION THEORY - যদি আপনি রাত্রিবেলা পিরামিডের দিকে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে পিরামিড গুলি একদম তারা নক্ষত্রে সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রেখে দাঁড়িয়ে আছে। যাকে sky constellation বলে। এটি কিভাবে সম্ভব।
★ ORION BELT - রাত্রি বেলা আকাশে পিরামিডের উপরে যে 3 টি star লক্ষ করা যায় তা আবার ORION BELT নামেও পরিচিত। এই তিনটি তারার নাম হচ্ছে Alnitak,Alnilam,Mintaka - এসকল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে বলা হয় যে ওই সময় পৃথিবীতে এলিয়েন এসেছিলো এবং তারই পিরামিড নির্মানে সাহায্য করেছে।
★ TUNNELS IN PYRAMIDS - পিরামিডের মধ্যে লুকিয় রয়েছে রহস্য ভান্ডার যার মধ্যে অন্য একটি রহস্য হচ্ছে সুড়ঙ্গ। পিরামিডের মধ্যে অনেক সুড়ঙ্গের সন্দান পাওয়া গিয়েছে। প্রথম দিকে মনেকরা হয়েছিল যে এই সুড়ঙ্গ গুলি বায়ু চলাচলের জন্য রাখা হয়েছে কিন্তু পরবর্তী সময়ে সুড়ঙ্গের ভিতরে রোবট পাটিয়ে তা ভুল প্রমানিত হয়। পিরামিডের মধ্যে 3 টি সুড়ঙ্গের সন্দান পাওয়া যায়। অনুমান করা হয়েছে যে এই 3টি সুড়ঙ্গ থেকে ভাগ হয়ে আরও সুড়ঙ্গ থাকতে পারে যা আবিস্কার করা সম্ভব হয়নি এখনও।
★ WHY THE PYRAMID WAS BUILT - অনুমান করা হয়েছে যে ওই সময়ে রাজা রাণীর মৃতদেহ কবর দেওয়ার জন্য পিরামিড তৈরি করা হয়েছিল। মৃতদেহ কে মমি ফিকশন এর মধ্যমে পিরামিডে রাখা হতো। কিন্তু বাস্তবে তা ভুল এখন পর্যন্ত এই পিরামিড থেকে একটিও মমি পাওয়া যায়নি। পিরিয়ডের সকল সমাধি গুলি সম্পূর্ণ খালি রয়েছে। সুতরাং এই সকল রহস্যময় বিষয় কে ভিত্তি করে অনেকই মনে করেন যে পিরামিড তৈরির পিছনে এলিয়েনের প্রভাব রয়েছে।
★ HOW THE PYRAMID HAS BECOME SO PERFECT - আপনি যদি কখনও পৃথিবীর মেপের দিকে লক্ষ করেন তা হলে দেখতে পারবেন যে পৃথিবীর টিক মধ্য বিন্দুতে একটি পিরামিড দাঁড়িয়ে আছে। হয়তো আপনি ভাবছেন যে তা কিভাবে সম্ভব কিন্তু এটাই সত্যি পৃথিবীর টিক মধ্যেই এই পিরামিডটি দাঁড়িয়ে আছে। এই পিরামিডটি যে যায়গায় দাঁড়িয়ে আছে সেই যায়গাই হচ্ছে পৃথিবীর Geographical Mid point.সুতরাং এই সকল বিষয় আমাদেরকে সত্যিই অবাক করেদেয় কারণ এই পিরামিড নির্মানের সময়কাল প্রায় 4000 বছর আগে তখন কিন্তু বর্তমানের মতো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বা গবেষণার কোনো উপায় ছিল না তবে কিভাবে মিশরের লোকেরা এই পিরামিডের অবস্থান এবং পৃথিবীর Mid point সঠিক ভাবে Calculation করেছিল।
★ PYRAMID STONES - বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন গবেষণা করে দেখেন যে পিরামিড নির্মানে ব্যবহৃত পাথর কোনো সাধারণ পাথর নয়। প্রকৃত ভাবে এই পাথরটি কি ধরনের পাথর তা এখনও বিজ্ঞানীরাও অনুৃমান করতে অক্ষম।
★ PYRAMID CONSTRUCTION TECHNOLOGY -পিরামিড নির্মানের অন্যতম রহস্য হচ্ছে যে এই পিরামিড নির্মানে মূলত Ball and Socket পদ্ধতি অবলম্বন হয়েছে। এই Ball and Socket এমন এক পদ্ধতি যা তাপ বিস্তার প্রতিরোধ করতে পারে এবং এই পদ্ধতি Pyramid কে ভূমিকম্পের হাত থেকে রক্ষা করে। question হচ্ছে 4 হাজার বছর আগে এই সকল অত্যাধুনিক পদ্ধতির ব্যবহার কিভাবে সম্ভব।
★ NATURAL A.C - আপনি হয়তো অবাক হবেন কিন্তু এটাই সত্যি যে মিশরের পিরামিডের মধ্যে Natural A.C রয়েছে যা পিরামিডের বিতরে সর্বদাই তাপমাত্রা 20 ডিগ্রি রাখতে সাহায্য করে। পিরামিডের পাশ্ববর্তী এলাকায় বিভিন্ন মরুভূমি থাকায় এখানকার তাপমাত্রা বেশ গরম হয় কিন্তু পিরামিডের মধ্যে সর্বদাই 20 ডিগ্রি তাপমাত্রা থাকে।
★ ALINE DRAWING IN EGYPT - মিশরের বিভিন্ন যায়গায় বিভিন্ন Drawing পাওয়া গিয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে রহস্যময় হচ্ছে এরোপ্লেন এবং এলিয়েনর চিত্র। এই সকল তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে অনেকই মনেকরেন যে পিরামিড নির্মানে এলিয়েনর সাহায্য রয়েছে কিন্তু এর কোনো বাস্তব প্রমান নেই।
★ AMAZING SUN ALIGNMENT OF PYRAMID - আমরা সকলেই জানি যে প্রতি বছর 21 jun সবচেয়ে বড়ো দিন এবং সবচেয়ে ছোট রাত্রি হয়। ওই দিন সূর্যাস্তের সময় যদি আপনি পিরামিডের দিকে লক্ষ করেন তাহলে দেখবেন যে সূর্য দুই পিরামিডের মধ্যে অবস্থান করেছে যা অতি রোমাঞ্চকর ও রহস্যময় বিষয়। ওই দিন অনেক পর্যটক আসে ইহা দেখার জন্য। এই সকল বিষয় কিভাবে 4 হাজার বছর আগে Calculation করা সম্ভব হয়েছে। এজন্য বলা হয় যে পিরামিডের মধ্যে হাজারো রহস্য লুকিয়ে আছে যার সঠিক উত্তর এখনও পাওয়া যায়নি।
★ THE GREAT SPHIN - উপরের এই ছবি কে বলা হয় The great sphin. এটি এমন একটি মূর্তি যা দেখতে কিছুটা মানুষের মতো হলেও কিছু অংশ অন্য কিছু চিহ্নিত করে। Egypt এর মধ্যে এটিই সবচেয়ে রহস্যময় Structure যা বিভিন্ন recherch এর পরেও সঠিক উত্তর পাওয়া যায়নি যে এটি কেন তৈরি করা হয়েছে। এটি হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড়ো মূর্তি এর আকৃতি প্রায় 73.5 মিটার লম্বা এবং এর মুখমণ্ডল 20 মিটার লম্বা। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই মূর্তিটি সম্পূর্ণ একটি পাথরের সাহায্যে নির্মিত হয়েছে সুতরাং ইহাই হচ্ছে world's largest single Stone মূর্তি। এর বিরতে বিভিন্ন সুড়ঙ্গও রয়েছে।
★★ আমরা আশাকরি যে আজকের এই প্রতিবেদন থেকে আপনি মিশরের পিরামিড সম্পর্কে অনেক অজানা বিষয় জানতে পারলেন। আপনি যদি এই প্রতিবেদন পড়ে সামান্য উপকৃত হয়ে তাকেন তাহলে ইহাতেই আমরা অনেক সন্তুষ্ট।












0 মন্তব্যসমূহ